কেপ ভার্দের পর মিশরও আর্জেন্টিনার স্নায়ুর ওপর চূড়ান্ত পরীক্ষাটাই নিল। ২ গোল হজম করে বসেছিল, পিছিয়ে ছিল ৭৯ পর্যন্ত। তবে শেষ ১৩ মিনিটের পাগলামিতে ৩ গোল করে ৩-২ গোলে জিতে আকাশী সাদারা চলে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে।